রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
Space Advertisement
Space For advertisement


কুমিল্লায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হিমশিম কুমিল্লা স্বাস্থবিভাগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
21.09.2023

# সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী না রাখার অভিযোগ
# কুমিল্লা মেডিকেলে ফ্লোরে মেডিসিনের রোগীরা
# ৯০ টাকার স্যালাইন ২০০ টাকা বিক্রি

আবু সুফিয়ান রাসেল।।
কুমিল্লায় দিনদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। জেলা সদর হাসপাতালে শয্যা খালি নেই। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন ওয়ার্ডের রোগীদের ফ্লোরে রেখে ডেঙ্গু আক্রান্তদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঔষধ দ্বিগুণ দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ঔষধ প্রশাসন নিয়মিত অভিযান করছে। সিভিল সার্জন বলছেন সংকটের মধ্যেও আমরা সেবা দিয়ে যাবো।
কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ূন কবীর মাসুদ বলেন, আমার মা হসপিটাল ভর্তি। শিরায় দেওয়া একটি স্যালাইন ক্রয় করবো। ছয়-সাতটি ফার্মেসীতে গিয়ে স্যালাইন পাইনি। পরে ৯২ টাকার স্যালাইন ২০০ টাকায় ক্রয় করেছি।
নগরীর বাসিন্দা পরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, আমার নিকট আত্মীয় বরুড়ার কাঞ্চনপুর গ্রাম থেকে এসেছে। নারী ঐ রোগীকে নিয়ে গত মঙ্গলবার জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছি। তারা রোগীকে ভর্তি রাখেনি। বলছে সিট খালি নেই। তর্ক বিতর্কের পর আমি রোগীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তারা সেবা দেয়নি। ভর্তিও রাখেনি।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্রমতে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৯ জন রোগী, জেনারেল হাসপাতালে তিনজন, চৌদ্দগ্রামে ছয়, মনোহরগঞ্জে এক, দেবিদ্ধারে ১৮, মুরাদনগর ৩, চান্দিনা ১৭, দাউদকান্দি ৭, হোমনা ২, বরুড়া ৫, ব্রাক্ষণপাড়া ১, তিতাস ৫, মালিগাও ৩, ইস্টার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুধবার ১০ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। গতমাসে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ডেঙ্গুর নির্ধারিত ওয়ার্ড নেই। মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আমরা মোট ১২৫টি সিট ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারণ করে রেখেছি। ৫৯ জন রোগী ভর্তি আছে। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে একজন মারা গেছে।
ঔষধ প্রশাসন কুমিল্লার সহকারী পরিচালক সালমা সিদ্দীকা বলেন, আমরা প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করছি। স্যালাইন সারাদেশে সংকট। ডেঙ্গুর কারণে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। পরের সাপ্তাহে এ সংকট থাকবে না।

কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আকতার বলেন, জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গুর নির্ধারিত আসন নেই।
মেডিসিন ওয়ার্ড, গাইনি ওয়ার্ড ও অর্থফেডিক্স ওয়ার্ডে সিট খালি হলে আমরা ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রাখতে পারি। আর যেহেতু জ্বর ও সংক্রামক রোগ তাই এ রোগীকে ফ্লোরেও রাখা যায় না। তাই রোগী ফেরৎ পাঠাতে হয়।
কুমিল্লায় দিনদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়াতে একটু সমস্যা হচ্ছে।