মঙ্গল্বার ২৩ জুলাই ২০২৪
Space Advertisement
Space For advertisement
  • প্রচ্ছদ » লিড নিউজ ১ » কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ডের ওটিতে কাজ করে দালাল


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ডের ওটিতে কাজ করে দালাল


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.05.2024

#ওটিতে তিনজন কাজ করেছে তারা হাসপাতালের লোক না -রোগীর স্বজন
#আউটসোর্সিং কর্মীরা কাজ করতে করতে এক্সপাট -ইনচার্জ
# ডাক্তারের সীল, স্বাক্ষর ছাড়া ব্যবস্থাপত্র লিখা অন্যায় হয়েছে -পরিচালক

আবু সুফিয়ান রাসেল ।। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ডের অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) রোগীর কাটাছেঁড়া সেলাই করছেন দালালরা। ক্ষত স্থান ব্যান্ডেজ করাসহ সকল কাজে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করেন হসপিটালের স্টাফগণ। রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তারের সীল, স্বাক্ষর ছাড়া এন্টিবায়োটিক লিখারও অভিযোগ করেন রোগীর স্বজনরা। হাসপাতালের পরিচালক জানিয়েছেন, পরিচয়পত্র ও পোষাক ছাড়া কোন স্টাফ ডিউটি করতে পারবে না। ডাক্তারের সীল, স্বাক্ষর ছাড়া ব্যবস্থাপত্র লিখা অন্যায় হয়েছে।
নগরীর ১৯নং ওয়ার্ডের নেউরা-সৈয়দপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ২৫ মে আমার মেয়ের জামাই জাহাঙ্গীর আলমকে নিয়ে হাসপাতালের ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ডের ওটিতে নিয়ে যাই। তিনজন কাজ করেছে, তাদের কারো গায়ে হাসপাতালের ড্রেস, পরিচয়পত্র ছিলো না। ব্যান্ডেজ করাসহ সকল কাজ বাহিরের লোকজন করেছে। তারা কেউ হাসপাতালের লোক না। সবাই বাহিরের দালাল।
যখন ব্যান্ডেজ শেষ। দু’জন নারী চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র লিখেছেন একটি সাদা কাগজে। এতে এন্টিবায়োটিকসহ চারটি মেডিসিন দিয়েছেন। বলার পরও তারা ডাক্তারের সীল, স্বাক্ষর দিতে রাজি হয়নি।
ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ড ইনচার্জ মো. ইব্রাহীম জানান, তিনজন দায়িত্ব পালন করেছে তারা আউটসোর্সিং কর্মী। তাদের পরিচয়পত্র ও পোষাক ছাড়া দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। শনিবার নতুন ড্রেস আসবে। আউটসোর্সিং কর্মী ওটির মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কীভাবে দায়িত্ব পালন করেন? এ প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা কাজ করতে করতে এক্সপার্ট।
বিষয়টি গতকাল ২৬ মে হাসপাতালের পরিচালককের নিকট জানানো হয়। পরিচালক তাৎক্ষণিক জরুরি বিভাগ ও ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, পরিচয়পত্র ও পোষাক ছাড়া কোন স্টাফ ডিউটি করতে পারবে না।

ঠিকাদারকে বলা হয়েছে, তারা শনিবার নতুন পোষাক প্রদান করবেন। আর ডাক্তারের সীল, স্বাক্ষর ছাড়া ব্যবস্থাপত্র লিখা অন্যায় হয়েছে। এটি পুলিশ কেইস। আর যেনো না হয়, আমরা সতর্ক থাকবো। ক্যাজুয়েলিটি ওয়ার্ড সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।