সোমবার ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
Space Advertisement
Space For advertisement


কুমিল্লায় জমে উঠতে শুরু করেছে শীতবস্ত্রের বাজার


আমাদের কুমিল্লা .কম :
21.11.2022

মোস্তাফিজুর রহমান ।। এক দিকে আস্তে আস্তে শীত বাড়ছে আর অন্য দিকে শীতের কাপড়ের দোকান গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতাদের ভীর। শীত বাড়ার সাথে সাথে জমে উঠছে শুরু করেছে নগরীর বিলাসবহুল মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতেও।
নগরীতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কুমিল্লার শপিংমলের পাশাপাশি রাস্তার পাশে ফুটপাতে গড়ে উঠেছে অনেক শীতবস্ত্রের দোকান। দোকান গুলোতে রয়েছে নানান কালার, নানান রংঙ্গের ডিজাইনের এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শীতের কাপড়। অন্যান বছরের তুলনায় এবছর শীতের কাপড়ের দাম অনেক বেশি। তাই শপিংমলের পাশাপাশি ফুটপাতেও ভীর জমাচ্ছে ক্রেতারা। সার্মথ্য অনুযায়ী কিনে নিচ্ছে তাদের পছন্দের শীতের কাপড়।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সাত্তার খান কমপ্লেক্সের একজন ব্যবসায়ী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার শীতের কাপড়ের দাম গতবারের চেয়ে অনেক বেশি। তারপরেও ভালো বিক্রি হচ্ছে। বড়দের তুলনায় ছোটদের শীতের কাপড়ের চাহিদা অনেক বেশি। তবে পুরোপুরি শীত আসলে শীতের কাপড়ের চাহিদা আরো বাড়বে। গত দুই বৎসর করোনার কারণে ব্যবসা অনেক মন্দা গেছে। এ বছর আশা করি কিছুটা লোকসান পোষানো যাবে।
ফুটপাতের ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, ব্যবসা গত দুই বৎসরের তুলনায় অনেক ভালো। আমরা হইলাম গরিব দোকানদার তাই আমাদের কাছে আসে গরিব কাস্টমাররা। তবে জিনিস পত্রের অনেক দাম হওয়ায় কাস্টমারের তুলনায় বিক্রিটা অনেক কম হয়। বড় বড় মার্কেট ঘুইরা শেষমেষ আমাদের মতো ফুটপাতের দোকান থেকে অনেক বড় লোক শীতের কাপড় নিয়ে যায়।

রাজগঞ্জ ফুটপাতে বসা ব্যবসায়ী জাকির বলেন, শীতের কাপড় এবার ভালোই চলছে। এখানে ব্যবসা করে বড় লোক হতে পারবোনা তবে পরিবার নিয়ে ভালো চলতে পারবো। জিনিস পত্রের যে দাম মানুষ কি খাইবো নাকি শীতের কাপড় পড়বো?
জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক ক্রেতা বলেন, আমার সন্তানদের জন্য প্রতি বছর নতুন নতুন শীতের কাপড় কিনা লাগে। কিন্তু শীতের কাপড়ের যে দাম তাই বড় শপিংমল থেকে না কিনে রাস্তার পাশ থেকে কিনে ফেলছি। কোয়ালিটি মনে হয় বেশি ভালো হবে না যাক গায়ে দিয়ে শীত কাটাতে পারলেই হয়।
রফিকুল ইসলাম নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, শীত আসলেই ছেলে মেয়ের আবদার ভালো শীতের কাপড়। টাকা থাক আর না থাক সন্তানদেরকে ভালো রাখার জন্য শীতের কাপড় কিনে দিতে হয়। সবাই বলে শীতকাল নাকি ভালো কিন্তু আমার কাছে শীতকালটা হলো সব চেয়ে কষ্টের। না পারি ছেলে-মেয়ের আবদার মিটাতে না পারি নিজে কিছু পড়তে।