সোমবার ৮ অগাস্ট ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » প্যাথলজি, অ্যাম্বুলেন্সে রশিদ নেই- বাড়ছে রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্য


প্যাথলজি, অ্যাম্বুলেন্সে রশিদ নেই- বাড়ছে রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্য


আমাদের কুমিল্লা .কম :
23.07.2022

#সদর হাসপাতাল

সুফিয়ান রাসেল।।
প্যাথলজি বিভাগে নেই সেবার মূল্য তালিকা। দেওয়া হয় না টাকা আদায়ের রশিদ। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়।
ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য। অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার যত্রতত্র আবর্জনাসহ নানা সংকটে কুমিল্লা জেলা সদর হাসপাতাল। সিভিল সার্জন বলছেন, দীর্ঘ সময়ের চলা অনিয়ম, ঠিক করতে একটু সময় লাগছে।

হাসপাতালের তথ্যমতে, ২০২১ সালে মোট পাঁচ হাজার ১৪৫ টি অস্ত্রোপাচার করা হয়েছে। বহিঃবিভাগে সেবা নিয়েছেন ১৬৪১৮৭ জন। অন্ত:বিভাগে সেবা গ্রহণ করেছেন ৭০২৩ জন। জরুরি বিভাগে সেবা নিয়েছেন ২১২৩২ জন। সাধারণ ডেলিভরি ১৩৬ ও সিজারিয়ান ডেলিভারি ৪০৭ জন শিশুর। একই বছরে প্রচীন এ সেবা বিভাগে যুক্ত হয়েছে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস, আইসিইউ, সিসিইউ ও ২০ শয্যার আইসোলেশন।

মুরাদনগরের রামপুর থেকে সদর হাসপাতালে এসেছেন মিঠন মিয়া। তিনি বলেন, ছয় দিন আমার মা এখানে ভর্তি ছিলো। সেবার মান মোটামুটি ভালো। তবে বাড়ি নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স দরকার। বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে চার হাজার, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে সাড়ে তিন হাজার। সরকারি নিয়মে তো প্রতি কিলো আসা-যাওয়া ২০ টাকা, সে হিসাবে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স যাবে না। আমরা তাদের কাছে অসহায়। আবার সরকারি এ টাকার রশিদ প্রদান করা হয় না। একই অবস্থা প্যাথলজি বিভাগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর টাকা নেওয়া হয়। তবে রশিদ প্রদান করে না। টাকা আদায়ের তালিকা থাকে তাও দৃশ্যমান নেই।

নগরীর বাসিন্দা রোজিনা ইয়াসমিন বলেন, বহিঃবিভাগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বের হতে না হতে রিপ্রেজেন্টেটিভরা ব্যবস্থাপত্র নিয়ে টানাটানি শুরু করে। মানুষকে তো এভাবে হয়রানি করা ঠিক না। আর বহিঃবিভাগের ২০নং ওয়ার্ড মেডিসিনে নেই কোন পৃথক লাইন। এখানে পুরুষ মহিলা একই লাইনে থাকতে হয়।

বরুড়ার আমেনা বেগম নামের একজন রোগী অভিযোগ করেন, প্যাথলজি বিভাগের টয়লেটে দরজার ছিটকিনি নেই। অপরিষ্কার, পানির বদনা নেই। যারা পেশাব পরীক্ষা করে, এসব খোলামেলা ভাবে উন্মুক্ত কৌটায় সামনে ফেলে রাখা হয়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, কুমিল্লা সদর হাসপাতালে করোনাকালীন সময়ে যোগদান করেছি। এখানে দীর্ঘদিন অনিয়মের একটা ধারা চলছে। তা ভেঙ্গে স্বাভাবিক করার জন্য চেষ্টা করছি। সরকারি রশিদে সকল টাকা আদায় হবে, এটাই নিয়ম। সে জন্য আমরা চেষ্টা করবো। ফি নির্ধারণ করা আছে, তালিকা লাগানো হবে। আর যেহেতু এখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন, কিছু সমস্যা হয়, আমরা সে দিকেও নজর দিবো।