বুধবার ১০ অগাস্ট ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » যুবকের আত্মহত্যা,ডায়রিতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ


যুবকের আত্মহত্যা,ডায়রিতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.06.2022

স্টাফ রিপোর্টার ।। বিয়ের ১৬ মাসের মাথায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক যুবক। আত্মহত্যার কারণ লিখে যান নিজের ডায়েরিতে। সেখানে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যা করা যুবকের নাম কাউছার আলম। তিনি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। পুলিশ রবিবার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
ডায়েরির পাতায় কাউসার লিখেন, ‘২০জুন রাত ১টা ৩০মিনিটে রবিউল ভাইয়ের সাথে কথা বলি। আমি কথা বলা শেষ হলে ঘরে আসছি। তখন দেখি হাসাহাসি করে লিজা কার সাথে ভিডিও কলে এক ছেলের সাথে জ্বিনা করে। আমি এখন কি করবো! আমার মাথায় কিছু কাজ করে না। কারে কি বুঝাবো। আমি এসব দেখার পরে মরে যাইতে চাইতেছি। তারপরে নিজেকে বুঝাতে পারি নাই, কারণ আমি নিজের চোখে দেখেছি তাই। আমি মান পাইনাই। জীবনের গল্প শেষ করে দিলাম। কারণ হলো যাকে ভালোবাসছি সে আমার সাথে এমন করলো।’
নিহত কাউছার আলমের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ৫ বছর প্রেমের পর ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একই গ্রামের লিজা আক্তারের সাথে কাউসার আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর মেয়েকে নিয়ে যায়। কয়েক মাস ধরেই সে সেখানে ছিল। এনিয়ে ছেলে দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়। কয়েকদিন আগে সে নিজেকে দেখতে লিজাদের বাড়িতে লিজাকে দেখতে যায়। কিন্তু সে যখন বাড়িতে যায় লিজাকে এক ছেলের সাথে ভিডিও কলে কথা বলছে। কষ্টে সে ওই বাড়ি থেকে চলে আসে। শনিবার আত্মহত্যার আগে আমার ছেলে এসব ঘটনা তার ডায়েরিতে নিজ হাতে লিখেছে। কষ্টে আমার ছেলেও আত্মহত্যা করেছে।
আদ্রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিবুল ইসলাম লিমন বলেন, মো. কাউছার আলমের বাড়ি থেকে একটি ডায়রি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই ডাইরি থেকে বুঝলাম, মেয়েটাকে পছন্দ করে বিয়ে করেছে। সেই ছেলেটা মেয়েটার কারণে আজ মারা গেছে। পারিবারিক কলহ মূলত এই ছেলেটার প্রাণ নিয়েছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, তার লাশ ময়না তদন্তের জন্য নেয়া হয়েছে। ডাইরির লেখার বিষয়ে তিনি বলেন, ডাইরির বিষয়টি এখনও জানিনা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে আমরা অবস্থা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। এছাড়া পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।