বুধবার ১৮ †g ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement


ফল পিপাসুদের নজর কাড়ছে হলুদ রংঙের তরমুজ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
26.04.2022

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।।
মৌসুমী ফল তরমুজের প্রতি মানুষের রয়েছে অন্য রকম অনুভূতি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার সাড়া ফেলেছে বিশেষ জাতের লেনফাই তরমুজ।
বাজারের অন্যান্য তরমুজের চেয়ে এটি কয়েকগুণ বেশি মিষ্টি। ভেতরের অংশ হলুদ বর্ণের হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে বেশ সমাদৃত। জেলায় প্রথমবারের মতো আবাদ হয়েছে এমন বিশেষ জাতের তরমুজ। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত বছর ১৪ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হলেও এবার আবাদ হয়েছে ১৭ হেক্টর জমিতে।
জেলা সদর ছাড়াও কসবা, নবীনগর,বাঞ্ছারামপুর, নাসিরনগর আখাউড়ায় তরমুজের আবাদ হয়। জেলায় দেশীয় জাত ছাড়াও ব¬্যাকবেরী, সুইটবেরী লেনফাইসহ বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের তরমুজ চাষ হয়। সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের কৃষক খলিল মিয়া লেনফাই নামে হাইব্রিড জাতের তরমুজের আবাদ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গাছের পাতার মধ্যে ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে তরমুজ। কৃষকরা ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার কাজে ব্যস্ত আছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসছেন তরমুজ কিনতে।
কৃষক খলিল মিয়া বলেন, প্রথমবারের মতো আমি পরীক্ষামূলক চাষ করলেও লাভজনক হওয়াই দ্বিতীয়বারের মতো আবারও এক বিঘা জমিতে আবাদ করি। এতে আমার খরচ হয়েছে ৫৫/৬০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হওয়াই বিক্রি করতে পারলে আমার উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা লাভ হবে। হুমায়ূন নামক এক চাষী বলেন, তরমুজ চাষ ঝামেলামুক্ত। নিয়মিত আগাছামুক্ত করা ছাড়া তেমন কোনো পরিচর্যা করতে হয় না। তবে, তরমুজ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ভালো। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লোকজন ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছে। নতুন ধরনের তরমুজের দামও বেশ ভালো পাওয়া যাচ্ছে।
তার সফলতায় উৎসাহী হয়ে অন্যান্য কৃষকরাও এখন হলদে তরমুজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার বলেন, এখন পর্যন্ত মাঠের পরিবেশ ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর গড়ে হেক্টর প্রতি ১৪ টন তরমুজ পাওয়া বলে আশা করছি। লাভের বিষয়টি বিবেচনা করেই কৃষকরা তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন।