বুধবার ১৮ †g ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement


ভিড় বাড়ছে নগরীর শপিংমলগুলোতে


আমাদের কুমিল্লা .কম :
18.04.2022

সাইমুম ইসলাম অপি ।। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে কুমিল্লা নগরীতে ঈদ বাজার ততই জমে উঠছে। ফুটপাথ থেকে অভিজাত বিপণী বিতান সব স্থানেই মুখরিত হয়ে উঠছে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে।

ঈদের কেনাকাটার আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে নগরীর প্রত্যেক শপিংমলে। শনিবার নগরীর খন্দকার হক টাওয়ার শপিংমলে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ ২ বছর পর মার্কেট গুলো ফিরে পেয়েছে পুরনো সেই মুহূর্ত। নগরীর প্রত্যেকটি শপিংমলে ফিরে এসেছে সজীবতা। জাঁমজমকপূর্ণ আলো ঝলমলে মার্কেটগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে ক্রেতা সমাগম। দেশীয় কাপড়ের পাশাপাশি ভারতীয় পোশাকের চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। তবে বেচাকেনা নিয়ে দোকানিদের মধ্যে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ বলছেন বেচাকেনা ভালো, কেউ কেউ বলছেন ভালো না।
সরকারি ছুটি থাকায় ভিড় এড়াতে পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন ক্রেতারা। যার কারণে নগরীর খন্দকার হক টাওয়ার ছিল লোকে লোকারণ্য। যদিও দাম নিয়ে ছিল ক্রেতাদের নানান অভিযোগ। প্রত্যেকটি দোকানে তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম। পাঞ্জাবি, থ্রি-পিছ ও জুতার প্রতি আগ্রহ থাকলেও কসমেটিকস বেচাকেনা এখনও তেমন শুরু হয়নি। বিক্রেতাদের প্রত্যাশা ২০ রোজার পর বৃদ্ধি পাবে কসমেটিকস বেচাকেনা।
খন্দকার হক টাওয়ারের ওকে ফ্যাশনের বিক্রেতা বলেন, ভালো বিক্রি হচ্ছে। ঈদের ক্রেতার চাপ পড়েনি। দাম বেড়েছে। মহামারী পূর্ববর্তী সময়ের মতো এখনো সেভাবে জমেনি ঈদের বেচাকেনা। আশা করি ১৫ রোজার পর পুরোদমে বিক্রি শুরু হবে বেচাকেনা।
খন্দকার হক টাওয়ারের ফ্যান্টাসি সুজ বিক্রেতা বলেন, বাচ্চা আইটেম বেশি বিক্রি হচ্ছে। ভেবেছি ভালো বিক্রি হবে কিন্তু এখনও ঐভাবে শুরু হয়নি। কয়েকদিন গেলে লোকজন জুতা কিনার জন্য ভিড় করবে এখন সবাই পোশাক ক্রয় করছে।
এভারগ্রিন দোকানের বিক্রেতা মু.ইকবাল বলেন, কাপড় কেনার পর সবাই কসমেটিকস কিনবে। সিজনাল বেচাকেনার চেয়ে স্বাভাবিক বেচাকেনা অনেক ভালো। ৫/৭ দিন পর বিক্রি শুরু হবে এখন কেবল কাস্টমার ঘুরে টুকটাক কেনাকাটাও করে।
পাঞ্জাবি ওয়ার্ল্ডের বিক্রেতা মিরাজ বলেন, দোকান উপরে হওয়ায় বিক্রি তেমন হচ্ছে না। আশাতো আছে ভালো বিক্রি হবে বাকিটা আল্লাহর উপর। তবে আমাদের কাছে যে আসবে ফিরে যাবে না।
অশোকতলা থেকে মার্কেট করতে আসা ইমরান হোসেন বলেন, পরিবার নিয়ে এসেছি ঈদের কেনাকাটা করতে। পূর্বের তুলনায় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। তবে খুব ভালো লাগছে মহামারীর আতঙ্ক শেষে শপিংমলে এসে ইচ্ছে মতো কেনাকাটা করতে পারছি।
বারোপাড়া থেকে আসা ফাহাদ হোসেন বলেন, প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি, জুতা কিনেছি। দাম মোটামুটি। ভিড় এড়াতে পরিবার নিয়ে এসেছি। তাছাড়া ২/৩ দিন পর ভিড়ের কারণে ভালোভাবে কেনাকাটা করতে পারবো না তাই আগে আগে কিনে নিচ্ছি সব।
দৌলতপুর থেকে আসা আলী আশরাফ বলেন, তিনদিন সরকারি ছুটি পেয়েছি তাই কেনাকাটা করতে এসেছি। স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে আগে আগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি। ক’দিন পর এমন সুযোগ পাবো না।

শশীদল থেকে আসা শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, নিজের জন্য প্যান্ট শার্ট কিনেছি এবং বোনের জন্য জামা কিনেছি। এখন যে ভীড় পড়েছে ক’দিন পর আরোও ভিড় বাড়বে তাই আগে আগে সব কিছু কিনে ফেললাম।

ধর্মপুর থেকে আসা মোমেনা খাতুন বলেন, যে পরিমাণ ভিড় পড়েছে ভালোভাবে হাটা চলা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি নেই বললেই চলে। আগে আগে এসেছি ভালোই করেছি।