বৃহস্পতিবার ১১ অগাস্ট ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সবজি চাষে কৃষকদের সফলতা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
08.11.2021

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় দেশীয় পদ্ধতিতে জমিতে সবজি চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা। অনেকে বাড়ির সাথে উঁচু জমিতে আবার কেউ বাড়ির আঙিনায় নানা জাতের সবজি চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। শীতের আগাম সবজি বলতে লাউ, টমেটো, শিম, ও ফুলকপিসহ নানা ধরনের সবজি করে খরচের তুলনায় কম সময়ে অধিক ফলন ও স্থানীয় বাজারে বিক্রিতে ভালো দাম পাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা।
আখাউড়া তারাগণ এলাকার ছিদ্দিক মিয়া বলেন, ৪৫ শতক জায়গা এক বছরের জন্য ইজারা নিয়ে সবজি চাষ শুরু করি। লাউ, করলা, শসাসহ অন্যান্য সবজিতে পরিচর্যায় আমি ব্যস্ত সময় পার করছি। মাচায় সবুজ পাতার ফাঁকে ঝুলছে ওই সব সবজি। আমার দৃষ্টিনন্দন সবজি বাগান দেখতে প্রতিনিদই লোকজন ভিড় করছেন। লাউ, শসা, করলা গাছের পরিচর্যা শেষে ৩৮ দিনের মধ্যেই তার গাছে সবজি বিক্রির উপযোগী হয়।
সবজি চাষি রোকন খান বলেন, জমি তৈরি করে বীজ লাগানোর এক সপ্তাহর মধ্যেই চারা গজিয়ে ওঠে। এরপর পরিচর্যা, পানি, সার ও মাচা তৈরিসহ অন্যান্য কাজ করা হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে সবজি বিক্রি। প্রতিদিন গড়ে ৫০টি লাউ, ৩০ কেজি শসা ও ১০ কেজির ওপর করলা বিক্রি হয়। ওইসব সবজি বিক্রি চলবে আগামী ৩ মাস। আশা করছি কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে খরচ বাদে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে ভাল অঙ্কের টাকা আয় হবে।
বিজয়নগরের চম্পকনগর গ্রামের মহসিন মিয়াসহ বেশ কয়েকজন সবজি চাষি বলেন, আমাদের অঞ্চলের অন্যান্য ফসলের তুলনায় সবজি চাষ বেশি লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এ চাহিদা। ঠিকভাবে বাগান তৈরি করে নিতে পারলে এখন ১২ মাসই নানা প্রকার সবজি চাষ হচ্ছে।খরচের তুলনায় লাভ হওয়ার কৃষকরা বেশ মনোযোগ দিয়ে নতুন নতুন বাগান তৈরি করছেন।
জেলা কৃষি অফিস বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলার বারমাসই নানা প্রকার সবজি আবাদ হচ্ছে। ফলন বৃদ্ধিতে সব সময় স্থানীয় কৃষকদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় এখন বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে সবজি চাষ।