সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২
Space Advertisement
Space For advertisement
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » এক বছর বেতন-ভাতা বন্ধ, শিক্ষকদের মানবেতর জীবন


এক বছর বেতন-ভাতা বন্ধ, শিক্ষকদের মানবেতর জীবন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
12.10.2021

মাহফুজ নান্টু।।
বেতন ভাতা-পেনশনসহ সকল সুবিধা বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েছে কুমিল্লার সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক। এ অবস্থায় গত এক বছর ধরে ওই শিক্ষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুমিল্লা নগরীর টাউনহলে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা।
জেলার ১৭ টি উপজেলার অন্তত এক হাজার শিক্ষক মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট চার দফা দাবি নিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, গত ৮ বছর ধরে আমরা নিয়মিত বেতন ভাতা পেতাম। হঠাৎ করে অর্থমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমাদের বেতন-ভাতা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে জেলার সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষকরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কুমিল্লা জেলার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অবহেলিত শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ঐতিহাসিক ঘোষণার মাধ্যমে ২৬ হাজার ১৯৩ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত ১ লাখ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করে।
তবে গত ২০২০ সালের ১২ আগস্ট একটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে টাইমস্কেল বাতিলপূর্বক গৃহীত অর্থ ফেরত নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়াও জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা,পদোন্নতি, টাইমস্কেল ও অবসর গ্রহণকারী শিক্ষকদের ৫০ ভাগ বেসরকারি কার্যকর চাকরিকালে পিআরএল, লামগ্র্যান্ড, পেনশন ও আনুতোষিক প্রদান করা হচ্ছে না। এতে করে ওই সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক পরিবারে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি।
তাই আমরা চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারকলিপি লিখেছি।

কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নান বলেন, আমি স্কুল পরিদর্শনে বাইরে আছি। আমার হয়ে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী মফিজ উদ্দিন আহমেদ। এ বিষয়ে আমরা ওই শিক্ষকদের সাথে কথা বলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব।